এক গৃহবধূকে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব ও পরবর্তীতে ধাওয়া করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। সেই নেতার হাত থেকে নিজের সম্মান বাঁচাতে ওই গৃহবধূ নিরুপায় হয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি; মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে ওই নারীর।
অভিযুক্ত ওই জামায়াত নেতা বেশ কিছুদিন ধরেই ভুক্তভোগী গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন এবং নানাভাবে উত্ত্যক্ত করছিলেন। ঘটনার দিন ওই নেতা গৃহবধূর পিছু নিলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। উপায়ান্তর না দেখে নিজের সম্ভ্রম রক্ষার্থে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে পুকুরে ঝাঁপ দেন।
পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন এবং তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে পানি থেকে তোলা হয়। এরপর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও, ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বা উদ্ধারের কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত জামায়াত নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একটি রাজনৈতিক দলের নেতার এমন হীন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
নারীর নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষায় সমাজের এমন ধস নামা পরিস্থিতিতে সকলেই শিউরে উঠেছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল দোষীর দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

0 coment rios:
আপনার মতামত দিন