নিজস্ব প্রতিবেদক | গাইবান্ধা
নতুন বছরের শুরুতেই গাইবান্ধায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জেলার পৃথক দুটি স্থানে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১০ জন, যাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়া এবং বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি ২০২৬) ভোরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে বিপরীতমুখী মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘন কুয়াশার কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন নিহত হন এবং অন্তত ৭ জন যাত্রী আহত হন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
অন্যদিকে, পলাশবাড়ী উপজেলায় একটি দ্রুতগামী ট্রাক একটি যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দিলে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আহত ৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সড়ক থেকে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো সরিয়ে নেন। স্থানীয়রা জানান, শীতের তীব্রতা এবং ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে গাড়ি চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ভোরে ও রাতে মহাসড়কে লাইটিং ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়ছে।
স্থানীয় থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। গাড়িগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং চালক বা সহকারীদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুয়াশার এই সময়ে সাবধানে গাড়ি চালানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সতর্কতা: শীতকালীন এই সময়ে ঘন কুয়াশার কারণে মহাসড়কে চলাচলের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং হেডলাইট ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
আপনি কি এই দুর্ঘটনার সাথে জড়িত নির্দিষ্ট কোনো এলাকার নাম বা নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চান? আমি সেগুলো খুঁজে দিতে সাহায্য করতে পারি।

0 coment rios:
আপনার মতামত দিন