একজন রাজনৈতিক নেতা (জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হচ্ছে) জনৈক ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে জুতোর মালা গলায় পরে অভিভাবকের পা ধরে মাফ চেয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
তিনি কোনো এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় অভিভাবকরা তাকে ধরে জুতোর মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করেন এবং একপর্যায়ে তিনি অভিভাবকের পা ধরে কান্নাকাটি করে ক্ষমা ভিক্ষা করেন।
ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অপরাধে সাধারণত পা ধরে ক্ষমা চেয়ে পার পাওয়ার সুযোগ থাকে না। আইন অনুযায়ী এমন অপরাধের বিচার থানায় বা আদালতে হওয়ার কথা। ফলে জুতোর মালা পরিয়ে পা ধরে মাফ চাওয়ার এই দৃশ্যটি কোনো ঘরোয়া সালিশের অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি কোনো প্রমাণিত ধর্ষণের ঘটনার ফল কি না, তা নিশ্চিত নয়।

0 coment rios:
আপনার মতামত দিন