নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ে নজিরবিহীন হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িত প্রত্যেককে ভিডিও ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোনো আপস নয়
বিগত কয়েক দিনে দেশের প্রধান কয়েকটি সংবাদপত্রের কার্যালয়ে একদল দুষ্কৃতিকারী অতর্কিত হামলা চালায়। এই ঘটনায় সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে মাহফুজ আলম বলেন, "সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোতে যারা হামলা চালিয়েছে, তারা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর এবং যারা এই অপরাধের সাথে জড়িত, তাদের বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে।"
সরকারি সূত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু মিডিয়া হাউজকে লক্ষ্য করে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে। উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়েছেন যে:
প্রতিটি আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যম কার্যালয়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যেন কর্মীরা নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
এদিকে ফেসবুক ও বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে এই হামলার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে উঠছে। বিশিষ্টজনরা বলছেন, ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে সহিংসতাকে ব্যবহার করা হলে তা দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। মাহফুজ আলমের এই কড়া বার্তা হামলাকারীদের দমনে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা।
উপদেষ্টা স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, সংবাদমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদনের ওপর আপত্তি থাকলে তা আইনিভাবে বা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে, কিন্তু সশরীরে হামলা চালানো সম্পূর্ণ ফৌজদারি অপরাধ।
এই প্রতিবেদনটি আপনার সরবরাহকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

0 coment rios:
আপনার মতামত দিন