বালেরখবর.কম রংপুর প্রতিনিধি:
নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা! রংপুরের হারাগাছ এলাকা থেকে মামা শ্বশুরের সাথে ভাগিনা বউয়ের উধাও হয়ে যাওয়ার খবর এখন লোকমুখে ফিরছে। এই অভাবনীয় ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে একদিকে যেমন হতবাক করেছে, তেমনি সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একটি পারিবারিক বন্ধন এভাবে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে গভীর এক জটিলতার।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের হারাগাছ এলাকায়। ছবির এই দম্পতির স্বামী (ভাগিনা) তার স্ত্রী অর্থাৎ ভাগিনা বউকে নিয়ে মামা শ্বশুরের সাথে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনেছেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, মামা শ্বশুরের সাথে ভাগিনা বউয়ের একটি অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। দীর্ঘদিনের এই গোপন প্রণয় একসময় এমন চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। লোকলজ্জা বা সমাজের কোনো বাধাই যেন তাদের থামাতে পারেনি। সুযোগ বুঝে তারা দু'জন বাড়ি থেকে একযোগে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় স্বামীর পরিবার এবং এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
উধাও হয়ে যাওয়া ভাগিনা বউয়ের স্বামী দাবি করেছেন, তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক ছিল না। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে তিনি তার স্ত্রীর সন্দেহজনক আচরণ নিয়ে আগেও অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু কেউ হয়তো ভাবতে পারেননি যে, সেই সন্দেহ এমন এক মর্মান্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে। সম্পর্কের বিশ্বাস এবং পারিবারিক পবিত্রতা এভাবে লঙ্ঘন হওয়ায় পরিবারটি এখন দিশেহারা।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পরই ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল এবং ফেসবুক পেজেও এটি ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছে। এই খবরে মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। কেউ কেউ মামা শ্বশুর ও ভাগিনা বউয়ের এমন সম্পর্কের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ পারিবারিক সম্পর্ক এবং নৈতিকতার অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
জানা গেছে, স্ত্রীর সন্ধানে এবং এই অনৈতিক সম্পর্কের বিচারের জন্য স্বামী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি তার স্ত্রী ও মামা শ্বশুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরের চিন্তা করছেন। তবে পালিয়ে যাওয়া এই যুগলের অবস্থান সম্পর্কে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো যে, সম্পর্কের বিশ্বাস এবং পারিবারিক বন্ধন কতটা ভঙ্গুর হতে পারে। এই ঘটনার পর হারাগাছ এলাকার মানুষের মধ্যে এখনো চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে আরও কোনো নতুন তথ্য বা আইনি পদক্ষেপের খবর জানতে চান কি?

0 coment rios:
আপনার মতামত দিন